বৃহস্পতিবার, ০৭ Jul ২০২২, ০১:৩১ অপরাহ্ন

পরকীয়া একটি পরিবারকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে পারে। ঠিক তেমনি হলো সুমি- সুজনের জীবনে। চট্টগ্রামে আবাসিক হোটেলে গলা কেটে শাহিদা জাহান সুমি নামে এক নারীকে হত্যার ঘটনায় পুলিশ আশরাফুল ইসলাম সুজন নামে এক কলেজছাত্রকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার সুজন টঙ্গি সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী বলে পুলিশ জানিয়েছে।

জানা গেছে, সুমি ও সুজন সম্পর্কে দেবর ভাবি। দেবরের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছিল সুমি। সেই সুমিকে অন্যজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর সন্দেহে হোটেলে নিয়ে খুন করে সুজন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়- খুনের শিকার সুমির স্বামীর নাম জাহাঙ্গীর আলম। জাহাঙ্গীর সন্দেহ করতেন সুমিকে। এ নিয়ে তাদের ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে স্বামীর সংসার ছেড়ে এক বছর আগে তিন সন্তানের জননী সুমি উঠেন বাপের বাড়ি হালিশহরে। কিন্তু স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়নি। আরও দুই বছর আগ থেকে সুমি তার চেয়ে ১০ বছরের ছোট সুজনের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়ায়। সুজনের বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগে, সুমির শ্বশুরবাড়ির পাশে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপির) সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পশ্চিম বিভাগের ডিসি আবদুল ওয়ারিশ জানান, সুজন ও সুমি স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ভুয়া এনআইডি দিয়ে হালিশহর এলাকার রোজ উড আবাসিক হোটেলে বৃহস্পতিবার উঠেছিল। সকালে তারা হোটেলটিতে উঠে। বিকাল ৫টার দিকে সুজন হোটেল ত্যাগ করে।

পরে রাত ১২টা পর্যন্ত কক্ষটি থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন হোটেল কর্তৃপক্ষ। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। এরপর ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

তদন্ত করে ঘাতক সুজনকে শনাক্ত করার অভিযান চালিয়ে ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন