রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে খাদ্য সচিবের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্য সচিব বলেছেন, আমাদের অনেক রাইস মিল হয়ে গেছে। আমাদের উৎপাদনও বেশি রাইস মিল বেশি। এখন একজন দরিদ্র ভোক্তার ঘরেও পাঁচ কেজি চাল থাকে।

এছাড়া কৃষক ও মিলারদের কাছেও ধান চাল রয়েছে।

আমাদের গুদামেও পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। উৎপাদনও ব্রেকইভেন পর্যায়ে। আমাদের উদ্বৃত্ত উৎপাদনগুলো যদি কৃষকের ঘরে ও মিলারদের কাছে থাকে তাহলে বাজারে কোথা থেকে আসবে। এজন্য ধানের দাম বেশি। ধানের দাম বেশি বিধায় চালের দাম বেশি।

রমজান উপলক্ষে চালের দাম বাড়বে না নিশ্চয়তা দিয়েছেন খাদ্যসচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম। একইসঙ্গে জনস্বার্থে বা ভোক্তাদের খুশি করতে যদি প্রয়োজন হয় তাহলে সরকার সরু চালও আমদানি করবে।

আসন্ন রমজানে চাল ও সবজির দাম সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে খাদ্যসচিব বলেন, রমজান উপলক্ষে আমি নিশ্চয়তা দিতে পারি যে চালের দাম বাড়বে না। কারণ আমার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি মার্চ মাস থেকে শুরু হয়েছে যাবে। ৫০ লাখ পরিবার ৩০ কেজি করে চাল পাবে। তাহলে আর চালের দাম বাড়বে না রমজানে।

তিনি বলেন, এরপরও যদি আমরা দাম বৃদ্ধির অবস্থা দেখি তাহলে আমরা ওএমএস আরো বাড়িয়ে দেবো। খাদ্যের বিষয়ে সরকারের কৃাপণ্য নেই। এখানে খোলা বাজারে বিক্রয়টা আরো বাড়িয়ে দেবো। আমরা কৃষকদের ন্যায্য মূল্য দিতে চাই।

চালের দাম বাড়বে না বলতে মোটা চালকে বোঝাচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভোক্তার স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য সরু চাল আমদানি করা হবে। তবে এখনই আমদানিতে যাচ্ছি না। কারণ কে বা কারা প্রমাণ করতে চাচ্ছে যে, দেশে এতো খাদ্য উদ্বৃত্তের কথা বলা হচ্ছে তারপরও আমদানি হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক খাদ্য সংস্থা (ইউএসডি) বলেছে, আমাদের উৎপাদন ভালো, তারপরও আমদানি করতে হবে।

আরও পড়ুন