মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ০১:৫২ অপরাহ্ন

এবারের বাজেটে পা’চার করা অর্থ দেশে ফেরত আনার সুযোগ আইনগতভাবে বৈধ করা হলেও নৈতিকভাবে তা গ্রহণযোগ্য নয়। বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, আইনের বৈধতা দিয়েও তা পুরোপুরি ফেরত আনা সম্ভব নয়। শুক্রবার (১ জুলাই) সকালে এফডিসিতে বাজেট নিয়ে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত এক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি আরও বলেন, চুরি করা টাকা ফেরানোর জন্য পাচার করেনি পাচারকারীরা। তাই পাচারকৃত অর্থের খুব সামান্যই দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির শুক্রবারের বিতর্কের বিষয় ছিল, এবারের বাজেট টেকসই উন্নয়নে সহায়ক। পক্ষে সরকারি দলের বক্তারা বলেন, বাজেটে এসডিজি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা রয়েছে। আর বিরোধী দলের বক্তারা, এবারের বাজেটকে আমলাদের পকেট ভর্তির বাজেট বলে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বাজেটে রাষ্ট্রের উন্নয়নের নানা দিকের উল্লেখ করা হয়েছে, মুদ্রাস্ফীতির যে ছোবল তা ধীরে ধীরে কমে আসবে। মন্ত্রী বলেন, করোনাকালে দেশের প্রবৃদ্ধি বেড়েছে, বাংলাদেশ এখন কারো সাহায্যের মুখাপেক্ষী নয়। তবে, মানুষ কিছু ক্ষেত্রে কষ্টে আছে এটাও মানতে হবে। এটিও মোকাবেলা করতে হবে আমাদের।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে একশ্রেণির মানুষের কাছে প্রচুর টাকা রয়েছে, যে টাকা নানাভাবে পাচার হচ্ছে। যেসব দেশে টাকা পাচার করা হয়, সেসব দেশের সরকার অর্থের বৈধতা যাচাই না করেই তা বিনিয়োগের সুযোগ করে দিচ্ছে। সেক্ষেত্রে দেশে কিছু টাকা ফেরত আসলে অসুবিধা কোথায়? তাই পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত মন্দের ভালো। সরকার বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ সিদ্ধির জন্য কাজ করছে না।

আরও পড়ুন