শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন

১৭টি রং ফর্সাকারী দাবিদার ক্রিম ব্যবহার ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্কতা অবলম্বন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। সংস্থাটির পরিচালক মো. নূরুল আমিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পণ্যগুলোতে ক্ষতিকর মাত্রায় মার্কারি ও হাইড্রোকুইনোন পাওয়া গেছে।

বাজার থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রং ফর্সাকারী দাবিদার স্কিন ক্রিমের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে এমন সতর্কতা দিয়েছে বিএসটিআই। সংস্থাটি বলছে, ক্রিমগুলো উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিয়মিত বিএসটিআইয়ের মোবাইল কোর্ট ও সার্ভিল্যান্স কার্যক্রম অব্যাহত আছে। সকলকে এ ধরনের পণ্য উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাত করা থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করার পাশাপাশি তারা ভোক্তা সাধারণকেও এ ধরনের পণ্য ক্রয় ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করে।

বিপজ্জনক মাত্রার পারদ রয়েছে এমন ১৭টি ব্র্যান্ড হলো, গোরি হোয়াইটনিং ক্রিম, চাঁদনি হোয়াইটনিং ক্রিম, নিউ ফেস হোয়াইটনিং ক্রিম, ডু’ ক্রিম, গোল্ডেন পার্ল ক্রিম, ফাইজা ক্রিম, নূর হারবাল বিউটি ক্রিম, নূর হারবাল গোল্ড ক্রিম, হোয়াইট পার্ল প্লাস হোয়াইটনিং ক্রিম, প্যাক্স হোয়াইটনিং ক্রিম, ফ্রেশ অ্যান্ড হোয়াইট হোয়াইটনিং ক্রিম, ফেস লিফট হোয়াইটনিং ক্রিম, ফেস ফ্রেশ হোয়াইটনিং ক্রিম, চাইনিজ ডাঃ রাশেল (নাইট) ক্রিম, ৪-কে প্লাস হোয়াইটনিং ক্রিম, আনিজা গোল্ড হোয়াইটনিং ক্রিম এবং গোল্ড হোয়াইটনিং ক্রিম।

মুখে মাখার এই ক্রিমগুলোতে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে অন্তত ১০০ গুণ বেশি পারদ এবং হাইড্রোকুইনোন আছে। এর মধ্যে পাকিস্তানি আনিজা গোল্ড হোয়াইটনিং ক্রিম এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গোল্ড হোয়াইটনিং ক্রিমে ৫ পিপিএমের বেশি হাইড্রোকুইনোন রয়েছে।

আরও পড়ুন