সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন

ধামরাইয়ে জমি দখল ও বালু ভরাটের অভিযোগে জি’জ্ঞাসাবাদের কথা বলে থা’নায় ডেকে নেয়ার পর একরাতেই ৫ মামলা দেয়া হয় সোহাগ হোসেনসহ মাখুলিয়া গ্রামের ১৭ জনের নামে। পরে এ মা’মলায় কারাগারে পাঠানো হয় সবাইকে। অভিযোগ রয়েছে, এই খবর পাওয়ার সাথে সাথেই স্ট্রোক করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃ’ত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন আবুল কালাম (৫৭) নামে এক পিতা।

রোববার (৮ আগস্ট) রাতে সোহাগ হোসেন এর ওই পিতা মারা যান। মৃত্যুবরণকারী পিতা আবুল কালাম ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের মাখুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

এলাকাবাসী ও আবুল কালামের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ছেলে সোহাগকে নিয়ে আবুল কালামের পরিবার। সংসারের খরচ চালাতে কষ্ট হয় বলে কিছুদিন আগে ছেলেকে পার্টটাইম চাকরী দেয় স্থানীয় একটি আবাসন প্রকল্পের কর্তৃপক্ষ। ওই প্রকল্পের জমি ও বালু ভরাট নিয়ে এলাকাবাসির সঙ্গে বিরোধ ছিলো।

এতে বাঁধা দেয়ায় গত ৩রা আগস্ট প্রকল্পের ৪ কর্মকর্তা ও ড্রেজারের ১৩ কর্মচারীদের নামে একরাতে করে ৫টি মামলা হয় ধামরাই থানায়। সেদিনই গ্রে’ফতার হয় আবুল কালামের ছেলে সোহাগসহ ১৪ জন। শুনানির পর সবাইকে কারাগারে পাঠানো হয়। এই খবর শুনতে পেরেই স্ট্রোক করে মৃ’ত্যুর কোলে ঢলে পড়েন পিতা আবুল কালাম।

এ বিষয়ে ধামরাই থা’নার পু’লিশ পরিদর্শক (ওসি) আতিক রহমান বলেন, ‘বিষয়টি শুনছি। একজন ফোন করে জানিয়েছে। যদি এলাকায় থেকে থাকে তাহলে তাকে শেষ দেখা দেখার ব্যবস্থা করা হবে।’

আরও পড়ুন