কুমিল্লা, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
RSS
শিরোনাম
বাড়ল মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা সর্বকালের সেরা ব্যালন ডি’অর ভোটে মেসিকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেলেন যিনি মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা নতুন পে স্কেলে আগের তিন মাসের বাড়তি বকেয়া টাকা কবে মিলবে? জানুন সুখবরটি জানেন কেন পেলে-ম্যারাডোনা কখনো ব্যালন ডি’অর জেতেননি? স্বাধীনতা রয়েছে বলে কেউ যা ইচ্ছা তা করতে পারেন না : আইজিপি আজ কমেছে জ্বালানি তেলের দাম ফিল্ড মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ পদে চাকরি দিচ্ছে এসিআই বাড়ল মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা সর্বকালের সেরা ব্যালন ডি’অর ভোটে মেসিকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেলেন যিনি মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা নতুন পে স্কেলে আগের তিন মাসের বাড়তি বকেয়া টাকা কবে মিলবে? জানুন সুখবরটি জানেন কেন পেলে-ম্যারাডোনা কখনো ব্যালন ডি’অর জেতেননি? স্বাধীনতা রয়েছে বলে কেউ যা ইচ্ছা তা করতে পারেন না : আইজিপি আজ কমেছে জ্বালানি তেলের দাম ফিল্ড মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ পদে চাকরি দিচ্ছে এসিআই
জীবনযাপন

জানেন কেন পেলে-ম্যারাডোনা কখনো ব্যালন ডি’অর জেতেননি?

ইডিটর | প্রকাশিত হয়েছে 2 hours আগে


জানেন কেন পেলে-ম্যারাডোনা কখনো ব্যালন ডি’অর জেতেননি?

জানেন কেন পেলে-ম্যারাডোনা কখনো ব্যালন ডি’অর জেতেননি?

স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্ব ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ব্যালন ডি’অর। ফুটবলের অনেক কিংবদন্তির হাতে উঠেছে ও সোনালি ট্রফিটি। কিন্তু ফুটবল ঈশ্বর ম্যারাডোনা ও রাজা পেলে এই পুরস্কারটি কখনো জেতেননি।

লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, মিচেল প্লাতিনি, ইয়োহান ক্রুইফ, ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, ইউসেবিও, জিনেদিন জিদান, রোনালদো নাজারিওসহ আরও বড় নাম পুরস্কারের সঙ্গে জড়িয়েছেন।

পুরস্কারটি না পাওয়ার তালিকার সবার ওপরে আছেন পেলে ও দিয়েগো ম্যারাডোনা। ফুটবল শব্দ উচ্চারণ করলেই যাদের নাম মুখে চলে আসে, তারা কখনো ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত পুরস্কার পেলেন না?

ব্যালন ডি’অর আসলে দেওয়া হতো কেবল ইউরোপের খেলোয়াড়দের। অনেক সময় একে ইউরোপিয়ান বর্ষসেরা ফুটবলার অ্যাওয়ার্ডও বলা হতো। ১৯৫৬ সাল থেকে চলা এই নিয়মে পরিবর্তন আসে ১৯৯৫ সাল থেকে, যখন থেকে এই পুরস্কার দেওয়া হতো ইউরোপিয়ান ক্লাবে খেলা যে কোনো দেশের খেলোয়াড়দের। তাতে করে প্রথম নন-ইউরোপিয়ান বিজয়ী হিসেবে ওই বছরই এই পুরস্কার পান এসি মিলানের লাইবেরিয়ান স্ট্রাইকার জর্জ উইয়াহ। তারপর থেকে মেসি, ব্রাজিলিয়ান রোনালদো, রোনালদিনহো, রিভালদো ও কাকা বিজয়ী হন।

২০০৭ সাল থেকে ব্যালন ডি’অর সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়। মানে যে কোনো দেশে খেলা খেলোয়াড়কে ব্যালন ডি’অরের জন্য যোগ্য বিবেচিত করা হয়। যদিও এর প্রভাব খুব একটা দেখা যায়নি। ইউরোপিয়ান ক্লাবের খেলোয়াড়দের হাতেই উঠেছে পুরস্কার। তবে এই নিয়মের পুরোপুরি সুযোগ লুফে নেন মেসি। নতুন এই নিয়ম না থাকলে ২০২৩ সালে ইন্টার মায়ামিতে খেলতে থাকা আর্জেন্টাইন তারকা পুরস্কার জিততে পারতেন না।

তবে পেলে ও ম্যারাডোনা কখনো এই পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হননি মূলত প্রথম ভাগের নিয়মের কারণে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ৮২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করা ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার পেলে। তিনি খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার শেষ করেন ১৯৭৭ সালে নিউইয়র্ক কসমসে। প্রথম নন-ইউরোপিয়ান ব্যালন ডি’অর জয়ীর প্রায় ২০ বছর আগে তার খেলা শেষ হয়েছিল।

আর ম্যারাডোনা বার্সেলোনা, নাপোলি ও সেভিয়ার হয়ে ১১ বছর ইউরোপে খেলার পর ১৯৯৩ সালে আর্জেন্টিনায় ফিরে যান। যখন তার ক্যারিয়ারের শেষ সময় চলছিল। কিন্তু ১৯৯১ সালে কোকেইন নেওয়ার কারণে ড্রাগ টেস্টে ধরা খেয়ে ১৫ মাসের নিষেধাজ্ঞায় সেই সিদ্ধান্ত আগেভাগে নিতে হয়েছিল আর্জেন্টাইন গ্রেটকে।



Source link

মন্তব্য ০

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত জানান

মন্তব্যে কোনো লিংক বা ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেওয়া যাবে না। সম্পাদকের অনুমোদনের পর মন্তব্য প্রকাশিত হবে।