কুমিল্লা, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
RSS
শিরোনাম
রাজধানীতে দাঁড়িয়ে থাকা স্কুল বাসে আগুন এক ম্যাচ হাতে রেখেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় চাকরির সুযোগ: যেভাবে দেখবেন তালিকা বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবার টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ একটা একটা লীগ ধর, ধরে ধরে জেলে ভর : ঢাবি ছাত্রদল নবম শ্রেণিতে ৯৭% নম্বর পাওয়ায় ছেলেকে ৩ কোটির বিএমডব্লিউ উপহার দিলেন বাবা! নারীঘটিত অডিও ও ভিডিও নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন আমির হামজা রাজধানীতে দাঁড়িয়ে থাকা স্কুল বাসে আগুন এক ম্যাচ হাতে রেখেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় চাকরির সুযোগ: যেভাবে দেখবেন তালিকা বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবার টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ একটা একটা লীগ ধর, ধরে ধরে জেলে ভর : ঢাবি ছাত্রদল নবম শ্রেণিতে ৯৭% নম্বর পাওয়ায় ছেলেকে ৩ কোটির বিএমডব্লিউ উপহার দিলেন বাবা! নারীঘটিত অডিও ও ভিডিও নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন আমির হামজা
জীবনযাপন

আজও টিকে আছে মাটির তৈরি তিনতলা বাড়ি

ইডিটর | প্রকাশিত হয়েছে 1 week আগে


আজও টিকে আছে মাটির তৈরি তিনতলা বাড়ি

আজও টিকে আছে মাটির তৈরি তিনতলা বাড়ি

এমটিনিউজ ডেস্ক : নওগাঁর পোরশা উপজেলা সদর নিতপুর ইউনিয়নের বাঙ্গালপাড়া গ্রামে মাটির তৈরি তিনতলা একটি বাড়ি প্রায় ৪০-৪২ বছর ধরে টিকে আছে। বালুকামাটি, বাঁশ, তালের তীর ও ছাউনিতে ঢেউটিন ব্যবহার করে নির্মিত ব্যতিক্রমী এই বাড়িটি এখনো সুরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। আধুনিক নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার ছাড়াই তৈরি বাড়িটি স্থানীয়ভাবে কৌতূহলের বিষয় হয়ে ওঠেছে।

বাড়িটির নির্মাতা প্রয়াত শামসুজ্জোহা। তিনি পোরশা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার দুই ছেলে আতিকুর রহমান সরকার (৩৬) ও ছোট ছেলে বকুল সরকার (২০)। এ ছাড়া তার দুই মেয়ে রয়েছেন। ছয় কক্ষবিশিষ্ট বাড়িটি নির্মাণে সে সময় প্রায় দেড় লাখ টাকার বেশি ব্যয় হয়েছিল বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।

পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জানা যায়, বাড়িটি প্রথমে দুইতলা নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে পাশের এক আত্মীয় তাদের বাড়ির চেয়ে উঁচু ভবন নির্মাণ করায় অভিমান থেকে বাড়িটিকে তিনতলায় উন্নীত করেন শামসুজ্জোহা।

বাড়িটির ছোট ছেলে বকুল সরকার বলেন, ‘বাবার কাছে শুনেছি, প্রথমে বাড়িটি দুইতলা ছিল। পরে আমাদের এক আত্মীয় পাশেই আমাদের বাড়ির চেয়ে উঁচু ভবন নির্মাণ করেন। এতে বাবা অভিমান করে বাড়িটির সঙ্গে আরও একটি তলা যুক্ত করে তিনতলা করেন। বাবা জীবিত থাকাকালে এই ছয় কক্ষবিশিষ্ট তিনতলা বাড়িতে বসবাস করতেন।”

বর্তমানে পরিবারের সদস্যসংখ্যা কম হওয়ায় বাড়িটির নিচতলা বেশি ব্যবহার করা হয়। ওপরের দুইতলায় নিয়মিত চলাচল তুলনামূলক কম। তবে প্রায় চার দশক পেরিয়ে গেলেও বাড়িটি এখনো টিকে রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শামসুজ্জোহা ২০১১ সালে মারা যান। তার স্মৃতি বহন করে দাঁড়িয়ে থাকা বাড়িটি পরিবারের কাছে আবেগ ও ঐতিহ্যের অংশ।

গ্রামবাংলার পুরোনো নির্মাণশৈলীর এমন বাড়ি সচরাচর দেখা যায় না। বাড়িটির নির্মাণকৌশল, ব্যবহৃত উপকরণ ও দীর্ঘস্থায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা গেলে এটি স্থানীয় ঐতিহ্যবিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হয়ে উঠতে পারে।



Source link

মন্তব্য ০

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত জানান

মন্তব্যে কোনো লিংক বা ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেওয়া যাবে না। সম্পাদকের অনুমোদনের পর মন্তব্য প্রকাশিত হবে।