Recommended For You
Ads
চাঁদা চেয়ে না পেয়ে বিএনপি নেতাকে বেধড়ক পেটালেন আ.লীগ নেতা
Ads By NexVibe
বেনজীরকে গ্রেপ্তারের খবরে চিত্রনায়িকা পরীমণি কেন আনন্দিত
থ্রি-পিস পরে বিএনপি নেতার নাচের ভিডিও ভাইরাল, দল থেকে বহিষ্কার
Ads By NexVibe
‘রাজু আমার বউকে নিয়ে বিয়ে করেছে, প্রতিশোধ হিসেবে আমিও রাজুর বউকে এনে বিয়ে করেছি’
Ads By NexVibe
ওমরাতে গিয়ে প্রবাসীদের দুঃখ-কষ্ট ও দুর্দশার কথা শুনলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : ওমরাহ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবে গিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে কথা বলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। এ সময় কয়েকজন প্রবাসী তার কাছে বিদেশে আসার পর নানা ভোগান্তি, প্রতারণা, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং দালালচক্রের হয়রানির অভিযোগ তুলে ধরেন।
প্রবাসীদের একজন জানান, বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে আসতে তাদের ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। অনেক ক্ষেত্রে ভিসা ও চাকরির আশ্বাস দিয়ে দালালদের মাধ্যমে বিপুল অর্থ নেওয়া হলেও সৌদিতে পৌঁছানোর পর প্রতিশ্রুত কাজ দেওয়া হয় না।
এক প্রবাসী বলেন, বিদেশে আসার জন্য নিজের বাড়ি বিক্রি করে টাকা দিয়েছেন। কিন্তু সৌদিতে এসে প্রতিশ্রুত কাজ না পেয়ে এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তিন মাসের বেতন পাওয়ার পরও তাকে কাজ থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আরেক প্রবাসী অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে থাকতেই তাদের বলা হয়েছিল সৌদিতে বিমানবন্দর থেকে নামার পর নির্দিষ্ট কাজ দেওয়া হবে এবং মাসে প্রায় ৬০ হাজার টাকা বেতন পাওয়া যাবে। ছয় মাস পর বেতন আরও বাড়ানোর আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সৌদিতে আসার পর বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।
প্রবাসীদের অভিযোগ, অনেকেই দালালদের মাধ্যমে ভিসা কিনে সৌদি আরবে আসেন। কিন্তু এখানে এসে না পান প্রতিশ্রুত কাজ, না পান নিয়মিত বেতন। ফলে অনেককে থাকা-খাওয়ার সংকটেও পড়তে হচ্ছে।
তাদের ভাষ্য, নিজেদের দেশের মানুষের কাছ থেকেই প্রতারণার শিকার হওয়াটা সবচেয়ে বেশি কষ্টের। বিদেশে বিপদে পড়লেও অনেক প্রবাসী ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারেন না। কারণ, বেশি কথা বললে চাকরি হারানো, ভয়ভীতি দেখানো কিংবা নানা ধরনের হয়রানির আশঙ্কা থাকে।
এক প্রবাসী তার পরিবারের কষ্টের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে কাজ করছেন। কেউ কেউ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রবাসে থাকলেও কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা ও আর্থিক স্বস্তি পাননি।
প্রবাসীরা হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে তাদের সমস্যাগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান। তাদের দাবি, বিদেশে কর্মী পাঠানোর আগে দালালচক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং প্রবাসীদের জন্য প্রতিশ্রুত চাকরি, বেতন ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
তাদের মতে, বিদেশে যাওয়ার জন্য একজন শ্রমিক যখন নিজের শেষ সম্বল বিক্রি করে বিপুল টাকা খরচ করেন, তখন সেখানে গিয়ে কাজ না পাওয়া শুধু একজন ব্যক্তির নয়—পুরো একটি পরিবারের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয়।
