Recommended For You
Ads
চাঁদা চেয়ে না পেয়ে বিএনপি নেতাকে বেধড়ক পেটালেন আ.লীগ নেতা
Ads By NexVibe
বেনজীরকে গ্রেপ্তারের খবরে চিত্রনায়িকা পরীমণি কেন আনন্দিত
থ্রি-পিস পরে বিএনপি নেতার নাচের ভিডিও ভাইরাল, দল থেকে বহিষ্কার
Ads By NexVibe
‘রাজু আমার বউকে নিয়ে বিয়ে করেছে, প্রতিশোধ হিসেবে আমিও রাজুর বউকে এনে বিয়ে করেছি’
Ads By NexVibe
কিছুদিন পর পর নিজের স্ত্রীকেই বিয়ে দিতেন এক ব্যাক্তি, করতেন যে ঘৃণ্য কাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিজের স্ত্রীকেই কখনো নিজের মেয়ে, আবার কখনো ভাতিজি পরিচয় দিয়ে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বিয়ের পর নববধূকে নিয়ে যাওয়া হতো নতুন স্বামীর বাড়িতে। কিছুদিন পর সুযোগ বুঝে টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যেতেন ওই নারী। এমনই অভিযোগে ওই দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা থানার পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। এক নববিবাহিত ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযোগকারী জানান, এক বৃদ্ধ নিজেকে তার নববধূর চাচা পরিচয় দিয়ে মেয়েটির সঙ্গে তার বিয়ে দেন। বিয়ের সময় ওই ব্যক্তি নিজেই কন্যা সম্প্রদান করেন এবং জানান, পাত্রী তার একমাত্র ভাতিজি। তবে বিয়ের প্রায় এক মাস পর বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে খোঁজখবর শুরু করেন ওই যুবক।
তদন্ত করে তিনি জানতে পারেন, তার স্ত্রী আগে থেকেই বিবাহিত। এমনকি বিয়ের সময় যিনি নিজেকে চাচা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন, তিনিই আসলে ওই নারীর স্বামী। তাদের দুই মেয়েও রয়েছে এবং তাদের বিয়েও হয়ে গেছে।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যরা অভিযুক্ত দম্পতিকে ডেকে পাঠিয়ে বিষয়টি জানতে চান। তবে তারা নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেন। পরে নববিবাহিত ওই ব্যক্তি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন।
অভিযোগের তদন্তে নেমে দেগঙ্গা থানার পুলিশ ঘটনার সত্যতা পায়। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা স্বামী-স্ত্রী হওয়ার কথা স্বীকার করেন।
পুলিশের দাবি, এই দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে একই কৌশলে প্রতারণা করে আসছিলেন। কখনো স্ত্রীকে ভাতিজি, আবার কখনো নিজের মেয়ে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন পাত্রপক্ষের সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়া হতো। বিয়ের পর নববধূ নতুন বাড়িতে গিয়ে কিছুদিন থাকার পর টাকা, গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিস নিয়ে সেখান থেকে চলে যেতেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, একাধিক পরিবারকে পরিকল্পিতভাবে এভাবে প্রতারণার শিকার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। তবে লোকলজ্জার কারণে অনেক ভুক্তভোগী বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ করেননি।
এবার লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত চালিয়ে ওই দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের বারাসত মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তথ্যসূত্র- আনন্দবাজার
