কুমিল্লা, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
RSS
শিরোনাম
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পাচ্ছে পাকিস্তান তিশার সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জন নিয়ে যা জানালেন ফারুকী সামনে স্বর্ণের দাম বাড়বে নাকি কমবে, এবার যে ভবিষ্যদ্বাণী অবশ্যই সিনেমায় অভিনয় করব, তবে এখন নয় : নীহা জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ, যা গত ২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ নিয়োগ হবে ট্যুরিস্ট পুলিশে, আজই আবেদন করুন এক আবেগঘন মুহূর্তে পরীমণিকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন ওমর সানী দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পাচ্ছে পাকিস্তান তিশার সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জন নিয়ে যা জানালেন ফারুকী সামনে স্বর্ণের দাম বাড়বে নাকি কমবে, এবার যে ভবিষ্যদ্বাণী অবশ্যই সিনেমায় অভিনয় করব, তবে এখন নয় : নীহা জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ, যা গত ২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ নিয়োগ হবে ট্যুরিস্ট পুলিশে, আজই আবেদন করুন এক আবেগঘন মুহূর্তে পরীমণিকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন ওমর সানী দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
জীবনযাপন

সামনে স্বর্ণের দাম বাড়বে নাকি কমবে, এবার যে ভবিষ্যদ্বাণী

ইডিটর | প্রকাশিত হয়েছে 52 minutes আগে


সামনে স্বর্ণের দাম বাড়বে নাকি কমবে, এবার যে ভবিষ্যদ্বাণী

সামনে স্বর্ণের দাম বাড়বে নাকি কমবে, এবার যে ভবিষ্যদ্বাণী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আর তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি পড়েছে বিশ্ববাজারের স্বর্ণের দামে। গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্পট মার্কেটে মূল্যবান এই ধাতুর দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ডলারের নিচে নেমে গেছে। গত এক সপ্তাহে দাম কমেছে প্রায় ৪ শতাংশ। বিশ্বজুড়ে অচলাবস্থা বাড়লে তা আরও পতন হতে পারে।

ইয়াহু ফাইন্যান্সে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুদের হার বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতির উদ্বেগ এবং শক্তিশালী ডলারের আশঙ্কায় স্বর্ণের বাজারে এই চাপ তৈরি হয়েছে। যা সামনে বাড়তে পারে।

রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার দিন শেষে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় ৩ হাজার ৯৯৫ দশমিক ৮০ ডলার। দিনের মধ্যে দাম নেমেছিল ৩ হাজার ৯৭৫ দশমিক ৬৪ ডলারে। জানুয়ারিতে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৫৯৫ ডলারে পৌঁছানোর পর থেকে স্বর্ণের দাম প্রায় ২৯ শতাংশ কমেছে।

স্বর্ণকে সাধারণত অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও শেয়ারবাজারের অস্থিরতার সময় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু এবার প্রযুক্তি খাতের শেয়ারেও দরপতনের মধ্যেই স্বর্ণের দাম কমেছে। ফলে প্রচলিত নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

ব্যাংক অব আমেরিকার কৌশলবিদ পল সিয়ানার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, স্বর্ণের দাম ধরে রাখার জন্য ৩ হাজার ৯৪৩ ডলার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর। জুলাইয়ে এই দামেই সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল স্বর্ণ। এই স্তর ধরে রাখতে পারলে বাজারে পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে তা ভেঙে গেলে দাম প্রথমে ৩ হাজার ৮৮৬ ডলার এবং পরে ৩ হাজার ৭০০ ডলারে নেমে যেতে পারে।

সিয়ানা জানিয়েছেন, তাদের বিনিয়োগ কৌশলে ৪ হাজার ডলারের নিচে ধীরে ধীরে স্বর্ণ কেনা, ৩ হাজার ৭০০ ডলারের কাছাকাছি আরও কেনা এবং ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ২৫০ ডলারের মধ্যে বাকি বিনিয়োগ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্বর্ণের ভবিষ্যৎ নিয়ে নেতিবাচক নয়। ইউবিএসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৪০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। গোল্ডম্যান স্যাকসও ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ একই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বিপরীতে, স্বল্প মেয়াদে স্বর্ণের দামে আরও পতনের ঝুঁকি রয়েছে বলে বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন।

মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় তেলের দাম বেড়েছে। এতে মূল্যস্ফীতি আবার বাড়তে পারে বলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের ২৭ ও ২৮ অক্টোবরের বৈঠকের দিকে নজর রাখছেন বিনিয়োগকারীরা।

বাজারে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকার প্রত্যাশা থাকলেও ডিসেম্বরে তা বাড়তে পারে—এমন ধারণা জোরালো হচ্ছে। সুদের হার বাড়লে সুদ পাওয়া যায় না এমন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কমে যায়। একই সঙ্গে ডলারের মূল্য বাড়লে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের ওপর আরও চাপ তৈরি হতে পারে। 



Source link

মন্তব্য ০

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত জানান

মন্তব্যে কোনো লিংক বা ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেওয়া যাবে না। সম্পাদকের অনুমোদনের পর মন্তব্য প্রকাশিত হবে।