কুমিল্লা, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
RSS
শিরোনাম
ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে গেল শ্রমিকরা সবাইকে রাজপথে নামার আহ্বান নাহিদ ইসলামের অবরোধ প্রত্যাহার করল আন্দোলনরত শ্রমিকরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেল কী ক্ষতি হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের? আরব দলগুলোকে বাদ দিয়ে ‘বৃহত্তর জাতীয় সরকার’ গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর বুল্টির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন মিমি স্বর্ণের গহনা, বার ও কয়েন কেনার চাহিদায় বড় পতন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে গেল শ্রমিকরা সবাইকে রাজপথে নামার আহ্বান নাহিদ ইসলামের অবরোধ প্রত্যাহার করল আন্দোলনরত শ্রমিকরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেল কী ক্ষতি হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের? আরব দলগুলোকে বাদ দিয়ে ‘বৃহত্তর জাতীয় সরকার’ গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর বুল্টির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন মিমি স্বর্ণের গহনা, বার ও কয়েন কেনার চাহিদায় বড় পতন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ
জীবনযাপন

স্বর্ণের গহনা, বার ও কয়েন কেনার চাহিদায় বড় পতন

ইডিটর | প্রকাশিত হয়েছে 1 hour আগে


স্বর্ণের গহনা, বার ও কয়েন কেনার চাহিদায় বড় পতন

স্বর্ণের গহনা, বার ও কয়েন কেনার চাহিদায় বড় পতন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম উচ্চপর্যায়ে থাকা এবং সাধারণ ক্রেতাদের কেনাকাটার প্রবণতা কমে যাওয়ায় চলতি বছরের জন্য স্বর্ণের বিনিয়োগ চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে বিশ্ব স্বর্ণ পরিষদ (ডব্লিউজিসি)। বিশেষ করে ব্যক্তিপর্যায়ে স্বর্ণের বার ও কয়েন কেনার গতি কমে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) প্রকাশিত ডব্লিউজিসির সর্বশেষ ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর রয়টার্সের।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জন্য বিশ্বব্যাপী স্বর্ণের বিনিয়োগ চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৪০০ মেট্রিক টন থেকে কমিয়ে ২০০ মেট্রিক টন করা হয়েছে। সংস্থাটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের গহনা, বার ও কয়েন কেনার চাহিদায় উল্লেখযোগ্য পতন ঘটেছে।

ডব্লিউজির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বার ও কয়েনের চাহিদা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ শতাংশ কমে ২৬৮ টনে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, গহনা তৈরিতে স্বর্ণের ব্যবহার কমেছে ১৭ শতাংশ। এ খাতে চাহিদা নেমে এসেছে ৩১৩ টনে।

বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং স্বর্ণের চড়া দাম সাধারণ ক্রেতাদের কেনাকাটায় নিরুৎসাহিত করছে। ফলে খুচরা বাজারে স্বর্ণের চাহিদা দুর্বল হয়ে পড়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম প্রতি ট্রয় আউন্স ৫ হাজার ৫৯৫ ডলারে পৌঁছে নতুন রেকর্ড গড়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রভাবে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম প্রায় ২৯ শতাংশ কমে এক বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে।

তবে ব্যক্তিপর্যায়ে স্বর্ণ কেনার প্রবণতা কমলেও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ক্রয় অব্যাহত রয়েছে। ডব্লিউজিসির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে বিশ্বব্যাপী গোল্ড এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ডে (ইটিএফ) নতুন করে ২১১ টন স্বর্ণ যুক্ত হয়েছে।

একই সময়ে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার পরিমাণ আগের তুলনায় ৪২ শতাংশ বেড়ে ৩২১ টনে দাঁড়িয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলায় নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের মজুত বাড়াচ্ছে এসব কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাদের এই ক্রয়প্রবণতা আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামকে বড় ধরনের পতন থেকে সুরক্ষা দিতে ভূমিকা রাখছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং বিশ্বরাজনীতির পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিও স্বর্ণের বাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করছে বলে উল্লেখ করেছে বিশ্ব স্বর্ণ পরিষদ।

সংস্থাটির ধারণা, সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে খুচরা পর্যায়ে চাহিদা দুর্বল থাকতে পারে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ধারাবাহিক স্বর্ণ ক্রয় এবং গোল্ড ইটিএফে বিনিয়োগ আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের চাহিদার ভিত্তি শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করবে।



Source link

মন্তব্য ০

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত জানান

মন্তব্যে কোনো লিংক বা ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেওয়া যাবে না। সম্পাদকের অনুমোদনের পর মন্তব্য প্রকাশিত হবে।