কুমিল্লা, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
RSS
শিরোনাম
ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে গেল শ্রমিকরা সবাইকে রাজপথে নামার আহ্বান নাহিদ ইসলামের অবরোধ প্রত্যাহার করল আন্দোলনরত শ্রমিকরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেল কী ক্ষতি হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের? আরব দলগুলোকে বাদ দিয়ে ‘বৃহত্তর জাতীয় সরকার’ গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর বুল্টির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন মিমি স্বর্ণের গহনা, বার ও কয়েন কেনার চাহিদায় বড় পতন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে গেল শ্রমিকরা সবাইকে রাজপথে নামার আহ্বান নাহিদ ইসলামের অবরোধ প্রত্যাহার করল আন্দোলনরত শ্রমিকরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেল কী ক্ষতি হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের? আরব দলগুলোকে বাদ দিয়ে ‘বৃহত্তর জাতীয় সরকার’ গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর বুল্টির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন মিমি স্বর্ণের গহনা, বার ও কয়েন কেনার চাহিদায় বড় পতন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ
জীবনযাপন

আরব দলগুলোকে বাদ দিয়ে ‘বৃহত্তর জাতীয় সরকার’ গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর

ইডিটর | প্রকাশিত হয়েছে 2 hours আগে


আরব দলগুলোকে বাদ দিয়ে ‘বৃহত্তর জাতীয় সরকার’ গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর

আরব দলগুলোকে বাদ দিয়ে ‘বৃহত্তর জাতীয় সরকার’ গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরাইলের বিরোধী শিবিরের নেতারা মঙ্গলবার বৈঠকে বসছেন। প্রধানমন্ত্রী পদে গাদি আইজেনকটকে সমর্থন দেওয়ার পর এই প্রথম একসঙ্গে আলোচনায় বসবেন তারা। এরই মধ্যে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার নেতৃত্বে একটি ‘বৃহত্তর জাতীয় সরকার’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।

গত সপ্তাহের হাড্ডাহাড্ডি নির্বাচনে কোনো শিবিরই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার পর বিরোধীদের এই বৈঠক হতে যাচ্ছে। আইজেনকটের দল ইয়াশার জানিয়েছে, ‘পরিবর্তন ব্লক’-এর নেতারা মঙ্গলবার সকালে হার্জলিয়ায় বৈঠক করবেন। সেখানে জোটের পরবর্তী পদক্ষেপ সমন্বয় নিয়ে আলোচনা হবে।

নির্বাচনে আইজেনকটের ব্লক ৪৮টি আসন পেয়েছে। নেতানিয়াহুর শিবির পেয়েছে ৫৩টি আসন, যার মধ্যে তার লিকুদ পার্টির আসন ২৭টি। ১২০ আসনের পার্লামেন্টে আরব-প্রধান তালিকাগুলো রেকর্ড ১৯টি আসন পেয়েছে। ফলে সরকার গঠনে তাদের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

সোমবার নেতানিয়াহু আরব দলগুলোকে বাদ দিয়ে ‘বৃহত্তর জাতীয় সরকার’ গঠনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বৃহত্তম দলের নেতা হিসেবে পরবর্তী জোট সরকারের নেতৃত্ব তারই দেওয়া উচিত।

লিকুদ পার্টির টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইহুদি জনগণের স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা লিকুদকে বৃহত্তম দল হিসেবে এবং আমাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পরবর্তী সরকার পরিচালনার জন্য বেছে নিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে এবং সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে না—এমন যেকোনো দলের সঙ্গে একটি বৃহত্তর সরকার গঠন করতে চাই।’

আরব-প্রধান তালিকাগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করে নেতানিয়াহু অভিযোগ করেন, দলগুলো ‘সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে এবং ইহুদি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব অস্বীকার করে’।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের হামলার নিন্দা জানিয়েছিলেন আরব ইসরাইলি দলগুলোর নেতারা। তবে তারা ফিলিস্তিনি ইসলামপন্থী সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে আখ্যায়িত করেননি। রা’আম পার্টির নেতা ইসরাইলকে ‘ইহুদি রাষ্ট্র’ হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও অন্য নেতারা এ সংজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

নির্বাচনের আগে এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরব-প্রধান দুটি তালিকার প্রধানরা একটি অভিন্ন লক্ষ্য তুলে ধরেছিলেন। তাদের বক্তব্য, তারা যে সরকারকে ‘বর্ণবাদী’ বলে মনে করেন, সেটির পতন ঘটানো।

বিরোধী শিবিরে আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে মতভেদ

আইজেনকটের ব্লকের দলগুলোর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও সোমবার পর্যন্ত সব নেতাই তাকে পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। আরব দলগুলোও আইজেনকটকে সমর্থন দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

তবে আরব দলগুলোর সমর্থন নেওয়া হবে কি না, তা বিরোধী শিবিরের অন্যতম বিতর্কিত বিষয়। আইজেনকটের শিবিরে ডেমোক্র্যাটস পার্টির বামঘেঁষা নেতা ইয়ার গোলান আরব দলগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্বের পক্ষে। অন্যদিকে ডানপন্থী ইসরায়েল বেইতেনু পার্টির নেতা আভিগদর লিবারম্যান এর তীব্র বিরোধিতা করছেন।

আইজেনকটের দল সরাসরি ঘোষণা না দিলেও এ ধারণা নাকচ করেছে বলে মনে হচ্ছে। নাফতালি বেনেটের মধ্য-ডানপন্থী টুগেদার পার্টির অবস্থান এখনো স্পষ্ট নয়।

ইসরাইলে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, বিভিন্ন দলের সমর্থনের সংখ্যা ও রাজনৈতিক শক্তি বিবেচনায় নিয়ে প্রেসিডেন্ট সাধারণত সবচেয়ে বেশি সুপারিশ পাওয়া প্রার্থীকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেন।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর শিবিরে তার কট্টর ডানপন্থী মিত্ররা এবং অতি-অর্থোডক্স শাস পার্টি তার নাম সুপারিশ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্য অতি-অর্থোডক্স দলের অবস্থান অবশ্য এখনো পরিষ্কার নয়।

সরকার গঠনের প্রক্রিয়া

ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ বুধবার থেকে দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরামর্শ শুরু করবেন। প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য তার হাতে সাত দিন সময় রয়েছে, অর্থাৎ ১১ নভেম্বর পর্যন্ত।

প্রেসিডেন্টের মনোনীত প্রার্থী জোট সরকার গঠনের জন্য ২৮ দিন সময় পাবেন। প্রয়োজনে এ সময় আরও ১৪ দিন বাড়ানো যেতে পারে। প্রথম প্রার্থী ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট অন্য কাউকে দায়িত্ব দিতে পারবেন। দ্বিতীয় প্রার্থীও সরকার গঠনের জন্য ২৮ দিন সময় পাবেন।

দ্বিতীয় প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হলে পার্লামেন্টের ৬১ জন সদস্য প্রেসিডেন্টকে তৃতীয় কোনো প্রার্থী বেছে নেওয়ার অনুরোধ করতে পারবেন। ১৪ দিনের মধ্যে এমন অনুরোধ করা না হলে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হবে এবং নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সূত্র: এনডিটিভি



Source link

মন্তব্য ০

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

আপনার মতামত জানান

মন্তব্যে কোনো লিংক বা ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেওয়া যাবে না। সম্পাদকের অনুমোদনের পর মন্তব্য প্রকাশিত হবে।